ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন ও উত্তর
You need to be signed in to access this content.
তাপমাত্রা বাড়লে ব্যান্ড ফাঁক অতিক্রম করার জন্য যথেষ্ট শক্তি পায় এবং যোজনী ব্যান্ড থেকে ইলেকট্রন পরিবহন ব্যান্ডে চলে আসে। ফলে মুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা বাড়ে এবং হোলও বাড়ে — মোট চার্জ বাহক বৃদ্ধি পায়। যদিও গতিশীলতা সামান্য কমে, বাহক সংখ্যা বৃদ্ধির প্রভাব প্রাধান্য পায়, তাই রোধকত্ব কমে।
p ও n অঞ্চল সংযুক্ত হলে: ১) n-অঞ্চলের ইলেকট্রন p-অঞ্চলে ব্যাপিত হয় ও হোলের সাথে পুনর্মিলিত হয়। ২) একইভাবে p-অঞ্চলের হোল n-অঞ্চলে যায়। ৩) জংশনের কাছে মুক্ত চার্জ বাহকহীন অঞ্চল তৈরি হয় — এটি অবক্ষয় স্তর। ৪) এই স্তরে অচল আয়ন একটি অভ্যন্তরীণ বিদ্যুৎ ক্ষেত্র তৈরি করে যা আরও ব্যাপন রোধ করে।
AC সরবরাহে ডায়োড ফরওয়ার্ড বায়াসে প্রবাহ পরিচালনা করে (অর্ধ চক্রে) কিন্তু রিভার্স বায়াসে করে না (বাকি অর্ধ চক্রে)। হাফ-ওয়েভ: একটি ডায়োড শুধু ধনাত্মক অর্ধ চক্র পরিচালনা করে। ফুল-ওয়েভ: চারটি ডায়োডের ব্রিজ সার্কিটে উভয় অর্ধ চক্রই DC তে রূপান্তরিত হয়। ক্যাপাসিটর ফিল্টার দিয়ে মসৃণ DC পাওয়া যায়।
শুধুমাত্র NAND গেট ব্যবহার করে অন্য সকল মৌলিক গেট (NOT, AND, OR) তৈরি করা যায়: ১) NOT: একটি NAND এর উভয় ইনপুটে একই সংকেত দিলে NOT পাওয়া যায়। ২) AND: NAND এর আউটপুটে NOT (আরেকটি NAND) লাগালে AND হয়। ৩) OR: প্রতিটি ইনপুটে NOT (NAND) লাগিয়ে তারপর NAND করলে OR হয়। একইভাবে NOR গেটও সর্বজনীন।
LED (Light Emitting Diode) একটি বিশেষ ডায়োড। ফরওয়ার্ড বায়াসে ইলেকট্রন পরিবহন ব্যান্ড থেকে যোজনী ব্যান্ডে নেমে হোলের সাথে পুনর্মিলিত হয়। এই সময় ব্যান্ড ফাঁকের সমতুল্য শক্তিতে ফোটন (আলো) নির্গত হয়। ব্যান্ড ফাঁকের উপর নির্ভর করে আলোর রঙ নির্ধারিত হয় (GaAs → ইনফ্রারেড, GaP → সবুজ/লাল)।