সম্পূর্ণ লেকচার দেখার জন্য অনুগ্রহ করে লগইন করুন।
দুটি সমান কম্পাঙ্কের সুসঙ্গত (coherent) আলোক তরঙ্গ যখন একই অঞ্চলে মিলিত হয়, তখন কোনো কোনো বিন্দুতে রিটাল তীব্রতা বৃদ্ধি পায় (গঠনমূলক) এবং কোনো কোনো বিন্দুতে কমে যায় (ধ্বংসাত্মক)। এই ঘটনাকে আলোর ব্যতিচার বলে।
যেখানে d = দুই চিরের মধ্যবর্তী দূরত্ব, D = চির থেকে পর্দার দূরত্ব, λ = তরঙ্গদৈর্ঘ্য, m = ক্রম সংখ্যা।
ব্যতিচারের জন্য দুটি উৎস অবশ্যই সুসঙ্গত (coherent) হতে হবে — অর্থাৎ, তাদের দশা পার্থক্য সময়ের সাথে ধ্রুবক থাকতে হবে। সাধারণ আলোক উৎস অসুসঙ্গত, তাই ইয়ং একটি উৎস থেকে দুই ভাগ করেন।
আলো কোনো বাধার কিনারা বা সরু ছিদ্র দিয়ে যাওয়ার সময় সরলরৈখিক পথ থেকে বেঁকে ছায়া অঞ্চলে প্রবেশ করার ঘটনাকে অপবর্তন বলে।
যেখানে a = ছিদ্রের প্রস্থ। কেন্দ্রীয় উজ্জ্বল ডোরাটি সবচেয়ে চওড়া ও উজ্জ্বল।
অপবর্তন গ্রেটিং ব্যবহার করে বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলোকে পৃথক করা যায় (স্পেকট্রোমিটার)।
অসমবর্তিত আলোকে নির্দিষ্ট একটি সমতলে কম্পিত করার প্রক্রিয়াকে সমবর্তন বলে। এটি প্রমাণ করে যে আলো একটি তির্যক তরঙ্গ।
যেখানে \(I_0\) = সমবর্তিত আলোর প্রাথমিক তীব্রতা, θ = সমবর্তক ও বিশ্লেষকের মধ্যবর্তী কোণ।
যেখানে \(\theta_p\) = ব্রুস্টার কোণ বা সমবর্তন কোণ, μ = মাধ্যমের প্রতিসরণাঙ্ক। ব্রুস্টার কোণে প্রতিফলিত আলো সম্পূর্ণ সমান্তরাল সমবর্তিত হয়।
\(\theta_p + \theta_r = 90°\)। এটি ব্রুস্টারের সূত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল।