ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন ও উত্তর
You need to be signed in to access this content.
১) অধিকাংশ α কণা সোজা বেরিয়ে যায় → পরমাণুর অধিকাংশ অংশ ফাঁকা। ২) অল্প কিছু বড় কোণে বিক্ষিপ্ত হয় → ধনাত্মক চার্জ ও ভর ক্ষুদ্র অঞ্চলে কেন্দ্রীভূত (নিউক্লিয়াস)। ৩) অতি অল্প সংখ্যক 180° কোণে ফিরে আসে → নিউক্লিয়াসের চার্জ ও ভর ঘনীভূত। এভাবে পরমাণুর নিউক্লীয় মডেল প্রতিষ্ঠিত হয়।
১) শুধু একটি ইলেকট্রন বিশিষ্ট পরমাণুর (H, He⁺) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, বহু-ইলেকট্রন পরমাণুতে নয়। ২) চৌম্বক ক্ষেত্রে রেখার বিভাজন (Zeeman effect) ব্যাখ্যা করতে পারে না। ৩) বর্ণালী রেখার আপেক্ষিক তীব্রতা ব্যাখ্যা করতে পারে না। ৪) হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতির সাথে সাংঘর্ষিক।
ফিশন: ভারী নিউক্লিয়াস ভেঙে মাঝারি হয়; নিউট্রন দিয়ে শুরু; নিউক্লিয়ার চুল্লিতে নিয়ন্ত্রণযোগ্য; তেজস্ক্রিয় বর্জ্য সমস্যা।
ফিউশন: হালকা নিউক্লিয়াস জোড়া লাগে; অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রা (~10⁸ K) প্রয়োজন; প্রতি নিউক্লিয়নে বেশি শক্তি; নিয়ন্ত্রিত ফিউশন এখনো অর্জিত হয়নি।
১) জ্বালানি: সমৃদ্ধ ²³⁵U। ২) মডারেটর: ভারী পানি বা গ্রাফাইট — দ্রুত নিউট্রনকে ধীর করে ফিশনের সম্ভাবনা বাড়ায়। ৩) নিয়ন্ত্রক দণ্ড: ক্যাডমিয়াম বা বোরন — অতিরিক্ত নিউট্রন শোষণ করে বিক্রিয়ার হার নিয়ন্ত্রণ করে। ৪) শীতলীকরণ: পানি বা তরল সোডিয়াম — তাপ অপসারণ করে।
জীবিত প্রাণীতে ¹⁴C/¹²C অনুপাত ধ্রুবক। মৃত্যুর পর ¹⁴C ক্ষয় হতে থাকে (\(t_{1/2}\) = 5730 বছর)। বর্তমান ¹⁴C/¹²C অনুপাত মেপে মৃত্যুর সময়কাল নির্ণয় করা যায়। এটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও জীবাশ্মের বয়স নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।