সম্পূর্ণ লেকচার দেখার জন্য অনুগ্রহ করে লগইন করুন।
১) পদার্থবিজ্ঞানের সকল সূত্র সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে একই রূপে ক্রিয়া করে। ২) শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে ধ্রুবক (c = 3 × 10⁸ m/s) এবং উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়।
ভর ও শক্তি পরস্পর রূপান্তরযোগ্য। সামান্য ভরের ক্ষয় থেকে বিপুল শক্তি পাওয়া সম্ভব (নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় ব্যবহৃত)।
নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের (প্রান্তিক কম্পাঙ্কের সমান বা বেশি) আলো কোনো ধাতব পৃষ্ঠে পড়লে ধাতু থেকে ইলেকট্রন নির্গত হওয়ার ঘটনা।
\(h\nu\) = আলোক ফোটনের শক্তি, \(\phi_0 = h\nu_0\) = কার্যাপেক্ষক (work function), \(E_k\) = নির্গত ইলেকট্রনের সর্বোচ্চ গতিশক্তি।
১) তীব্রতা বাড়ালে ইলেকট্রনের গতিশক্তি বাড়ে না (তরঙ্গ তত্ত্বে বাড়ার কথা)। ২) প্রান্তিক কম্পাঙ্কের নিচে তীব্রতা যতই বাড়ানো হোক ইলেকট্রন নির্গত হয় না। ৩) প্রক্রিয়াটি তাৎক্ষণিক (≈ 10⁻⁹ s)।
যে বস্তু তার উপর পতিত সকল তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিকিরণ সম্পূর্ণরূপে শোষণ করে। উদাহরণ: প্রান্তে ছিদ্রযুক্ত একটি কালো রঙের ফাঁপা গোলক।
শক্তি ক্রমাগত (continuous) নয়, বরং ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্যাকেটে (কোয়ান্টাম) বিনিময় হয়।
যেখানে h = 6.626 × 10⁻³⁴ J·s (প্ল্যাংকের ধ্রুবক), ν = কম্পাঙ্ক।
সকল পদার্থই কণা ও তরঙ্গ উভয় ধর্ম প্রদর্শন করে। ভর বেশি হলে তরঙ্গদৈর্ঘ্য অত্যন্ত ক্ষুদ্র (পর্যবেক্ষণযোগ্য নয়), তবে ইলেকট্রনের মতো ক্ষুদ্র কণার ক্ষেত্রে এটি পর্যবেক্ষণযোগ্য।