জ্যামিতিক আলোকবিজ্ঞান | জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর
একটি নির্দিষ্ট বিন্দু হতে অপর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে পরিভ্রমণকালে আলোক রশ্মি এমন একটি পথ অনুসরণ করে যা অতিক্রমে প্রয়োজনীয় সময় নিকটবর্তী অন্যান্য পথের তুলনায় হয় সর্বনিম্ন বা অবম নতুবা সর্বোচ্চ বা চরম অথবা অপরিবর্তিত তথা স্থির থাকে।
আলোক রশ্মি শূন্য মাধ্যম থেকে অন্য কোনো মাধ্যমে তীর্যকভাবে প্রবেশ করলে নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাতই হলো শূন্য মাধ্যমের সাপেক্ষে দ্বিতীয় মাধ্যমের পরম প্রতিসরাঙ্ক।
লেন্সের প্রধান অক্ষের উপরস্থ যে বিন্দুর মধ্য দিয়ে আলোকরশ্মি গেলে প্রতিসরণের ফলে এর দিকের কোনো পরিবর্তন হয় না সেই বিন্দুকে আলোক কেন্দ্র বলে।
আলোক কেন্দ্র থেকে প্রধান ফোকাস বা দ্বিতীয় প্রধান ফোকাস পর্যন্ত দূরত্বই হলো ফোকাস দূরত্ব।
প্রতিবিম্ব দ্বারা সৃষ্ট বীক্ষণ কোণ ও বস্তু দ্বারা সৃষ্ট দৃষ্টিকোণের অনুপাতই কৌণিক বিবর্ধন।
একটি বস্তু চোখে যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে দৃষ্টিকোণ বা বীক্ষণ কোণ বলে।
প্রতিসারক তলদ্বয় যে কোণে পরস্পরকে ছেদ করে তাই প্রিজম কোণ।
সাদা আলোক প্রিজমের মধ্য দিয়ে প্রতিসরণের ফলে সাতটি মূল বর্ণে বিভক্ত হয়ে যায়। সাদা আলোর ঐ বিভাজনই আলোর বিচ্ছুরণ।