সম্পূর্ণ লেকচার দেখার জন্য অনুগ্রহ করে আপনার Google অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগইন করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি!
পদার্থের এমন একটি মৌলিক ধর্ম যার কারণে তড়িৎ বল অনুভব করে। চার্জ দুই প্রকার: ধনাত্মক (+) ও ঋণাত্মক (−)। চার্জের SI একক কুলম্ব (C)। মৌলিক চার্জ e = 1.6 × 10⁻¹⁹ C।
কোনো বস্তুর চার্জ সর্বদা ইলেকট্রনের চার্জের পূর্ণ গুণিতক। q = ne, যেখানে n একটি পূর্ণ সংখ্যা।
দুটি বিন্দু চার্জের মধ্যবর্তী বল তাদের চার্জের গুণফলের সমানুপাতিক এবং দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।
১) কেন্দ্রীয় বল (দুই চার্জের সংযোজক রেখা বরাবর)। ২) সমধর্মী চার্জ: বিকর্ষণ; বিপরীতধর্মী: আকর্ষণ। ৩) মাধ্যমে বল \(\epsilon_r\) গুণ কমে যায়।
বিচ্ছিন্ন ব্যবস্থায় মোট চার্জ সর্বদা ধ্রুবক। চার্জ সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না, শুধু স্থানান্তর করা যায়।
চার্জের চারপাশে যে অঞ্চলে অন্য কোনো চার্জ রাখলে তড়িৎ বল অনুভব করে, সেই অঞ্চলকে তড়িৎ ক্ষেত্র বলে।
ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে একটি একক ধনাত্মক পরীক্ষা চার্জের ওপর যে বল ক্রিয়া করে তাকে ঐ বিন্দুর তড়িৎ ক্ষেত্র প্রাবল্য বলে।
দুটি সমান ও বিপরীত চার্জ ক্ষুদ্র দূরত্বে পৃথক থাকলে তাদের তড়িৎ দ্বিমেরু বলে। দ্বিমেরু ভ্রামক \(\vec{p} = q\vec{d}\)।
অসীম দূর থেকে একটি একক ধনাত্মক চার্জকে ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে আনতে তড়িৎ ক্ষেত্রের বিরুদ্ধে যে কাজ করতে হয়, তাকে ঐ বিন্দুর তড়িৎ বিভব বলে।
যে তলের প্রতিটি বিন্দুতে বিভব সমান সেই তলকে সমবিভব তল বলে। সমবিভব তলের ওপর চার্জ স্থানান্তরে কাজ শূন্য কারণ \(W = q\Delta V = 0\)।
তড়িৎ ক্ষেত্র প্রাবল্য = বিভবের ঋণাত্মক গ্রেডিয়েন্ট। ক্ষেত্র সর্বদা উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বিভবের দিকে নির্দেশ করে।
তড়িৎ ক্ষেত্রের মধ্য দিয়ে কোনো তলের ভেতর থেকে বের হওয়া মোট বলরেখার সংখ্যাকে তড়িৎ ফ্লাক্স বলে। \(\Phi_E = \vec{E} \cdot \vec{A} = EA\cos\theta\)।
যেকোনো বদ্ধ তলের ভেতর দিয়ে নির্গত মোট তড়িৎ ফ্লাক্স ঐ তলের অভ্যন্তরে আবদ্ধ মোট চার্জের \(\frac{1}{\epsilon_0}\) গুণ।
| চার্জ বিন্যাস | ক্ষেত্র প্রাবল্য |
|---|---|
| বিন্দু চার্জ / গোলক (বাইরে) | \(E = \frac{kQ}{r^2}\) |
| অসীম দীর্ঘ তার | \(E = \frac{\lambda}{2\pi\epsilon_0 r}\) |
| অসীম সমতল পাত | \(E = \frac{\sigma}{2\epsilon_0}\) |
| পরিবাহী গোলকের ভেতরে | \(E = 0\) |
দুটি পরিবাহী পাত একটি অন্তরক দ্বারা পৃথক করে যে যন্ত্র তৈরি করা হয় তাকে ধারক বলে। এটি তড়িৎ শক্তি সঞ্চয় করে।
ধারকের পাতে সঞ্চিত চার্জ ও পাতদ্বয়ের বিভব পার্থক্যের অনুপাতকে ধারকত্ব বলে। \(C = \frac{Q}{V}\)। একক: ফ্যারাড (F)।
যেখানে A = পাতের ক্ষেত্রফল, d = পাতদ্বয়ের দূরত্ব, ε_r = পরাবিদ্যুৎ ধ্রুবক।
| সমবায় | সমতুল্য ধারকত্ব | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| শ্রেণি | \(\frac{1}{C_s} = \frac{1}{C_1} + \frac{1}{C_2}\) | চার্জ সমান, বিভব ভিন্ন |
| সমান্তরাল | \(C_p = C_1 + C_2\) | বিভব সমান, চার্জ ভিন্ন |
পরাবিদ্যুৎ মাধ্যম ব্যবহার করলে ধারকত্ব \(\epsilon_r\) গুণ বৃদ্ধি পায়। মাধ্যম তড়িৎ ক্ষেত্রকে দুর্বল করে কিন্তু অধিক চার্জ সঞ্চয় করতে সাহায্য করে।