ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন ও উত্তর — প্রতিটিতে ক্লিক করুন
You need to be signed in to access this content.
সাদৃশ্য: ১) উভয় বিপরীত বর্গ সূত্র অনুসরণ করে (\(1/r^2\))। ২) উভয় কেন্দ্রীয় বল। ৩) উভয় সংরক্ষণশীল বল।
বৈসাদৃশ্য: ১) তড়িৎ বল আকর্ষণ ও বিকর্ষণ উভয়ই, কিন্তু মহাকর্ষ বল সর্বদা আকর্ষণ। ২) তড়িৎ বল মাধ্যমের ওপর নির্ভরশীল, মহাকর্ষ নয়। ৩) তড়িৎ বল মহাকর্ষ বলের তুলনায় অনেক শক্তিশালী (~10³⁶ গুণ)।
১) ধনাত্মক চার্জ থেকে বের হয়ে ঋণাত্মক চার্জে শেষ হয়। ২) দুটি বলরেখা কখনো পরস্পরকে ছেদ করে না — কারণ একটি বিন্দুতে দুটি দিক থাকা অসম্ভব। ৩) বলরেখা ঘন স্থানে ক্ষেত্র প্রবল, পাতলা স্থানে দুর্বল। ৪) সমবিভব তলের সাথে সর্বদা লম্বভাবে মিলিত হয়। ৫) বলরেখা স্থিতিস্থাপক রাবারের ন্যায় আচরণ করে।
পরিবাহী: যে পদার্থের মধ্য দিয়ে সহজে তড়িৎ প্রবাহিত হয়। এদের মুক্ত ইলেকট্রন প্রচুর। যেমন: তামা, রূপা, অ্যালুমিনিয়াম।
অন্তরক: যে পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় না বা অত্যন্ত কম হয়। মুক্ত ইলেকট্রন নেই। যেমন: কাচ, রাবার, প্লাস্টিক।
গাউসের সূত্রানুসারে, যেকোনো বদ্ধ তলের মধ্য দিয়ে নির্গত মোট তড়িৎ ফ্লাক্স ঐ তলের অভ্যন্তরে আবদ্ধ মোট চার্জের \(1/\epsilon_0\) গুণ। \(\oint \vec{E} \cdot d\vec{A} = Q_{enc}/\epsilon_0\)।
তাৎপর্য: ১) প্রতিসম চার্জ বিন্যাসে ক্ষেত্র প্রাবল্য গণনা সহজ হয়। ২) বদ্ধ তলের বাইরের চার্জ ফ্লাক্সে অবদান রাখে না। ৩) পরিবাহীর ভেতরে ক্ষেত্র শূন্য প্রমাণ করা যায়।
পরাবিদ্যুৎ মাধ্যম ধারকের পাতদ্বয়ের মধ্যে স্থাপন করলে মাধ্যমের অণুগুলো সমবর্তিত হয়ে একটি বিপরীত অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্র তৈরি করে। এতে ফলাফলগত ক্ষেত্র প্রাবল্য কমে, ফলে পাতদ্বয়ের মধ্যে বিভব পার্থক্য কমে। যেহেতু \(C = Q/V\), তাই V কমলে C বাড়ে। ধারকত্ব \(\epsilon_r\) গুণ বৃদ্ধি পায়।
সমবিভব তলের প্রতিটি বিন্দুতে বিভব একই। কাজ \(W = q\Delta V = q(V_A - V_B)\)। সমবিভব তলে \(V_A = V_B\), তাই \(\Delta V = 0\)। ফলে কাজ \(W = 0\)। এ কারণে তড়িৎ বলরেখা সমবিভব তলের ওপর সর্বদা লম্ব — কারণ তলের সমান্তরালে কোনো বল উপাংশ থাকে না।