পরিবাহীর মধ্য দিয়ে ইলেকট্রনের প্রবাহই হলো তড়িৎ প্রবাহ। তাড়ন বেগ (Drift velocity) ও প্রবাহের সম্পর্ক:
স্থির তাপমাত্রায় কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ এর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক। অর্থাৎ, \(V = IR\)।
রোধের নির্ভরশীলতা: পরিবাহীর রোধ এর দৈর্ঘ্য (L) ও প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের (A) ওপর নির্ভর করে, \(R = \rho \frac{L}{A}\)। তাপমাত্রা বাড়লে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায়: \(R_t = R_0(1 + \alpha t)\)।
জটিল বর্তনীর তড়িৎ প্রবাহ ও বিভব পার্থক্য নির্ণয়ের জন্য কারশফের দুটি সূত্র ব্যবহৃত হয়।
১. KCL (জাংশন সূত্র): কোনো জাংশনে মিলিত প্রবাহমাত্রাগুলোর বীজগাণিতিক সমষ্টি শূন্য (\(\sum I = 0\))। এটি আধান সংরক্ষণের নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত।
২. KVL (লুপ সূত্র): কোনো বদ্ধ লুপের সকল বিভব পতন এবং তড়িচ্চালক শক্তির বীজগাণিতিক সমষ্টি শূন্য (\(\sum V = \sum E\))। এটি শক্তি সংরক্ষণের নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত।
চারটি রোধ P, Q, R, S দিয়ে তৈরি ব্রিজে গ্যালভানোমিটারের প্রবাহ শূন্য (I_g = 0) হলে ব্রিজটি সাম্যাবস্থায় থাকে।
তড়িৎ বর্তনীতে একাধিক কোষ যুক্ত করে প্রয়োজনীয় তড়িৎ প্রবাহ বা বিভব পাওয়া যায়। সমবায়ে তড়িৎ প্রবাহ:
গ্যালভানোমিটারকে অতিরিক্ত প্রবাহের হাত থেকে রক্ষা করতে এর সাথে সমান্তরালে যুক্ত অল্প মানের রোধ। শান্টের রোধ \(S = \frac{G}{n-1}\), যেখানে n হলো অ্যামিটারের পাল্লা বৃদ্ধির গুণিতক।
বৈদ্যুতিক ক্ষমতা ও ব্যয়িত শক্তি: ক্ষমতা \(P = VI = I^2R = \frac{V^2}{R}\)। ব্যয়িত শক্তি \(W = Pt\)। এর ব্যবহারিক একক হলো কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা বোর্ড অফ ট্রেড ইউনিট (B.O.T Unit)।