শূন্য মাধ্যমে 1 m দূরত্বে অবস্থিত অসীম দৈর্ঘ্যের এবং উপেক্ষণীয় প্রস্থচ্ছেদের দুটি সমান্তরাল সরল পরিবাহীর প্রত্যেকটিতে যে পরিমাণ প্রবাহ চললে পরস্পরের মধ্যে প্রতি মিটার দৈর্ঘ্যে \( 2 \times 10^{-7} \) N বল উৎপন্ন হয় তাই এক অ্যাম্পিয়ার।
একক দৈর্ঘ্য ও একক প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট কোনো পরিবাহীর রোধকে আপেক্ষিক রোধ বলে।
অতি নিম্ন তাপমাত্রায় কিছু কিছু পদার্থের রোধ শূন্যে নেমে আসে। এসব পদার্থকে বলা হয় অতিপরিবাহী এবং পদার্থের এ ধর্মকে বলা হয় অতি পরিবাহিতা।
প্রতি কেলভিন তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে একক রোধ বিশিষ্ট কোনো পরিবাহীর রোধের যে বৃদ্ধি ঘটে তাকে ঐ পরিবাহীর রোধের উষ্ণতা গুণাঙ্ক বলে।
পরিবাহীর যে ধর্মের জন্য এর মধ্যদিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয় তাকে ঐ পরিবাহীর রোধ বলে।
কোনো পরিবাহকের প্রতি একক প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত প্রবাহকে ঘনত্ব বলে।
তাড়ন বেগ হলো কোনো কণা যেমন ইলেকট্রনের সেই বেগ যা সে তড়িৎক্ষেত্রের কারণে লাভ করে।
পরিবাহিতা একটি রাশি যা কোনো বর্তনীতে কত ভালোভাবে তড়িৎ প্রবাহিত হয় তা নির্দেশ করে। তড়িৎ পরিবাহিতাকে G দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
জুলের তাপ উৎপাদন সংক্রান্ত সূত্রটি হলো—বিদ্যুৎবাহী পরিবাহীর রোধ R এবং বিদ্যুৎ প্রবাহকাল t অপরিবর্তিত থাকলে পরিবাহীতে বিদ্যুৎ প্রবাহের দরুন উদ্ভূত তাপ প্রবাহমাত্রার বর্গের সমানুপাতিক।
জুলের রোধের সূত্রটি হলো— তড়িৎ প্রবাহমাত্রা এবং তড়িৎ প্রবাহকাল অপরিবর্তিত থাকলে পরিবাহীতে তড়িৎ প্রবাহের দরুন উদ্ভূত তাপ পরিবাহীর রোধের সমানুপাতিক।
একক তাপ উৎপন্ন করতে যে পরিমাণ কাজ করতে হয় বা এক একক তাপ দ্বারা যে পরিমাণ কাজ করা যায়, তাকে তাপের যান্ত্রিক সমতা বলে।
তড়িৎ প্রবাহ চলার সম্পূর্ণ পথই তড়িৎ বর্তনী।
রোধের কোনো সমবায়ের রোধগুলোর পরিবর্তে যে একটিমাত্র রোধ ব্যবহার করলে বর্তনীর প্রবাহ ও বিভব পার্থক্যের কোনো পরিবর্তন হয় না তাই ঐ সমবায়ের তুল্যরোধ।
একক ধনাত্মক চার্জকে বর্তনীর কোনো এক বিন্দু থেকে উৎসসহ সম্পূর্ণ বর্তনী ঘুরিয়ে পুনরায় ঐ বিন্দুতে আনতে যে কাজ হয় বা উৎসের যে শক্তি ব্যয় হয় তাকে উৎসের তড়িচ্চালক বল বা তড়িচ্চালক শক্তি বলে।
কোষের অভ্যন্তরে বিদ্যুৎ প্রবাহ যে পরিমাণ বাধাপ্রাপ্ত হয় তাকে কোষের অভ্যন্তরীণ রোধ বলে।
শক্তিশালী প্রবাহ পাওয়ার জন্য একাধিক কোষ একত্রে ব্যবহার করাকে কোষের সমবায় বলে।
কার্শফের প্রথম সূত্রটি হলো— বিদ্যুৎ বর্তনীর কোনো সংযোগ বিন্দুতে মিলিত প্রবাহ মাত্রাগুলোর বীজগাণিতিক যোগফল শূন্য।
কার্শফের দ্বিতীয় সূত্রটি হলো— কোনো আবদ্ধ তড়িৎ বর্তনীর বিভিন্ন অংশগুলোর রোধ এবং তাদের আনুষঙ্গিক প্রবাহের গুণফলের বীজগাণিতিক সমষ্টি ঐ বর্তনীর মোট তড়িচ্চালক বলের সমান হবে।
বিভব বিভাজক এমন একটি ব্যবস্থা যা দ্বারা কোনো বিভব পার্থক্যকে নির্দিষ্ট অনুপাতে বিভক্ত করা যায়।
সূক্ষ্ম ও সুবেদী বৈদ্যুতিক যন্ত্রের মধ্য দিয়ে যাতে উচ্চ মাত্রার বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়ে যন্ত্রটি বিকল করতে না পারে সেজন্য বিকল্প পথে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ পাঠানোর নিমিত্তে যন্ত্রের সাথে সমান্তরাল সমবায়ে প্রয়োজনীয় নিম্নমানের যে রোধ সংযুক্ত করা হয় তাই শান্ট।
1 m দৈর্ঘ্যের একটি তামার তার ব্যবহারকারী যে যন্ত্র হুইটস্টোন ব্রীজ নীতির ওপর প্রতিষ্ঠিত যা মূলত রোধ পরিমাপে ব্যবহার করা হয় তাকে মিটার ব্রিজ বলে।
বিভব পতন পদ্ধতিতে যে যন্ত্রের সাহায্যে ছোট মানের বিভব বৈষম্য ও তড়িচ্চালক বল পরিমাপ করা যায় তাকে পটেনশিওমিটার বলে।