ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন ও উত্তর
You need to be signed in to access this content.
দূরবর্তী গ্যালাক্সি থেকে আগত আলোর বর্ণালী বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় বর্ণালী রেখাগুলো লাল প্রান্তের দিকে সরে যায় (রেড শিফট)। ডপলার প্রভাব অনুযায়ী এটি নির্দেশ করে যে গ্যালাক্সিগুলো আমাদের থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। হাবল দেখান যে দূরত্ব বেশি হলে বেগও বেশি (v = H₀d) — অর্থাৎ মহাবিশ্ব সকল দিকে সমানভাবে প্রসারিত হচ্ছে।
১) নীহারিকা: গ্যাস ও ধূলিকণার মেঘ মহাকর্ষে সংকুচিত হয়। ২) প্রধান ক্রম: ফিউশন শুরু (H → He); সূর্য এই পর্যায়ে আছে (~10 বিলিয়ন বছর)। ৩) লাল দানব/অতিদানব: কেন্দ্রের হাইড্রোজেন শেষ; বাইরের স্তর প্রসারিত। ৪) চূড়ান্ত পরিণতি: ভরের উপর নির্ভর করে — হালকা নক্ষত্র → শ্বেত বামন; মাঝারি → নিউট্রন তারা (সুপারনোভা বিস্ফোরণের পর); ভারী → কৃষ্ণ গহ্বর।
কৃষ্ণ গহ্বরের মুক্তিবেগ আলোর বেগ c এর সমান বা বেশি। যেকোনো বস্তু বা আলোক রশ্মি শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধের (r_s = 2GM/c²) ভেতরে প্রবেশ করলে মহাকর্ষ এত প্রবল যে আলোও (যার বেগ c) মুক্তিবেগ অর্জন করতে পারে না। ফলে কৃষ্ণ গহ্বর থেকে কোনো সংকেত বের হয় না — এটি "অদৃশ্য" থাকে।
১) রেড শিফট ও হাবলের সূত্র: মহাবিশ্ব প্রসারিত হচ্ছে — উল্টো গণনায় একটি বিন্দু থেকে শুরু। ২) CMB (মহাজাগতিক পটভূমি বিকিরণ): 1965 সালে পেনজিয়াস ও উইলসন 2.7K তাপমাত্রার সর্বত্র সমবিতরিত বিকিরণ আবিষ্কার করেন — এটি মহা বিস্ফোরণের অবশিষ্ট তাপ। ৩) হালকা মৌলের প্রাচুর্য: H (~75%) ও He (~25%) এর অনুপাত তত্ত্বের পূর্বাভাসের সাথে মিলে।
কেপলারের ৩য় সূত্র: গ্রহের পরিভ্রমণ কালের বর্গ তার কক্ষপথের অর্ধ-প্রধান অক্ষের ঘনের সমানুপাতিক (T² ∝ a³)। এই সূত্র ব্যবহার করে: ১) একটি গ্রহের কক্ষীয় উপাত্ত থেকে অন্য গ্রহের কক্ষপথ গণনা সম্ভব। ২) নিউটন এটিকে মহাকর্ষ সূত্র প্রতিষ্ঠায় ব্যবহার করেন। ৩) নক্ষত্রের ভর নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।