কম্পনশীল বস্তুর একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে পর্যায়কাল বলে।
যেকোনো মুহূর্তে কোনো তরঙ্গের উপর অবস্থিত সমদশা সম্পন্ন কণাগুলোর সঞ্চারপথই হলো তরঙ্গমুখ।
তরঙ্গের উপর অবস্থিত কোনো কম্পনশীল কণার দশা বলতে ঐ কণার যে কোনো মুহূর্তে গতির সম্যক অবস্থা বুঝায়।
তরঙ্গের উপর অবস্থিত কোনো কম্পনশীল কণা স্থির বা সাম্যাবস্থান থেকে যেকোনো একদিকে সর্বাধিক যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে বিস্তার বলে।
শব্দ এক প্রকার শক্তি যা কানে শ্রবণের অনুভূতি জাগায়।
কোনো আড় বা দীঘল তরঙ্গ কোনো বিস্তৃত মাধ্যমের একস্তর হতে অন্যস্তরে সঞ্চালিত হয়ে ক্রমাগত সামনের দিকে অগ্রসর হতে থাকলে সেই তরঙ্গকে অগ্রগামী তরঙ্গ বলে।
সীমাবদ্ধ মাধ্যমে দুটি পরস্পর বিপরীতমুখী অগ্রগামী তরঙ্গের বিস্তার ও পর্যায়কাল/কম্পাঙ্ক/তরঙ্গদৈর্ঘ্য সমান হলে এদের উপরিপাতনের ফলে যে নতুন তরঙ্গের উৎপত্তি হয় তাকে স্থির তরঙ্গ বলে।
সমান বা প্রায় সমান তীব্রতা ও প্রায় সমান কম্পাঙ্ক বিশিষ্ট একই দিকে অগ্রগামী দুটি শব্দ তরঙ্গের উপরিপাতনের ফলে শব্দের লব্ধি প্রাবল্যের পর্যায়ক্রমিক হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটাই হলো বিট।
কোনো বস্তুর নিজস্ব কম্পাঙ্ক আর তার উপর আরোপিত পর্যাবৃত্ত স্পন্দনের কম্পাঙ্ক সমান হলে বস্তুটি সর্বোচ্চ বিস্তার সহকারে কম্পিত হতে থাকে। এ ধরনের কম্পনকে অনুনাদ বলে।
কোনো কম্পনরত বস্তুকে অন্য একটি কম্পনক্ষম বস্তুর নিকট আনলে দ্বিতীয় বস্তুটিতে কম্পন শুরু হয়। এটিই পরবশ কম্পন।
তরঙ্গ সঞ্চালনের অভিমুখে লম্বভাবে অবস্থিত কোনো বস্তুর একক ক্ষেত্রফলের মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ শক্তি প্রবাহিত হয় তাকে তরঙ্গের তীব্রতা বলে।
\( 1000 \text{ Hz} \) কম্পাঙ্কবিশিষ্ট \( 10^{-12} \text{ W m}^{-2} \) তীব্রতাই প্রমাণ তীব্রতা।
কোনো শব্দের তীব্রতা এবং প্রমাণ তীব্রতার অনুপাতের লগারিদমকে ঐ শব্দের তীব্রতা লেভেল বলে।
1 বেল (B) এর এক-দশমাংশকে 1 ডেসিবেল বলা হয়।
একটি মাত্র কম্পাঙ্ক বিশিষ্ট শব্দই সুর।
দুটি সুরের কম্পাঙ্কের অনুপাতকে সুরবিরাম বলে।