স্থিতিস্থাপকতা মানে পূর্বাবস্থায় ফিরে যাওয়ার সামর্থ্য। ইয়ংয়ের গুণাঙ্ক (Y) দিয়ে এটি পরিমাপ করা হয়। ইস্পাতের Y (~2×10¹¹ Pa) রাবারের Y (~0.01×10⁹ Pa) এর চেয়ে অনেক বেশি। একই পীড়নে ইস্পাত অতি সামান্য বিকৃত হয় ও পুরোপুরি ফিরে আসে। রাবার বেশি প্রসারিত হলেও সেটি "নমনীয়তা" — স্থিতিস্থাপকতা নয়।
পৃষ্ঠটান তরলের পৃষ্ঠকে ক্ষুদ্রতম ক্ষেত্রফলে সংকুচিত করতে চায়। নির্দিষ্ট আয়তনের জন্য গোলকের পৃষ্ঠতল ক্ষুদ্রতম। তাই ক্ষুদ্র ফোঁটায় মহাকর্ষের প্রভাব নগণ্য হলে পৃষ্ঠটান তাকে গোলকে পরিণত করে। বড় ফোঁটায় মহাকর্ষ প্রাধান্য পায়, তাই চ্যাপ্টা হয়।
সান্দ্র মাধ্যমে পড়ন্ত বস্তু প্রথমে ত্বরান্বিত হয়, তারপর সান্দ্র বল (\(6\pi\eta rv\)) বেড়ে ওজন মাইনাস প্লবতার সমান হলে ত্বরণ = 0 হয়। এই ধ্রুব বেগ = সীমান্ত বেগ: \(v_t = \frac{2r^2(\rho - \sigma)g}{9\eta}\)। ভারী/বড় বস্তু বেশি সীমান্ত বেগ পায়।
সরু নলে তরল ওঠে বা নামে সংস্পর্শ কোণ ও পৃষ্ঠটানের উপর নির্ভর করে। পানি-কাচে সংস্পর্শ কোণ < 90° → তরল ওঠে। পারদ-কাচে> 90° → তরল নামে। উচ্চতা: \(h = \frac{2\gamma\cos\theta}{r\rho g}\)। নল সরু হলে h বেশি।
OA: সমানুপাতিক সীমা — হুকের সূত্র মান্য। AB: স্থিতিস্থাপক সীমা — বল সরালে ফিরে আসে। BC: ফলন বিন্দু — স্থায়ী বিকৃতি শুরু। CD: প্লাস্টিক অঞ্চল — সামান্য পীড়নে বেশি বিকৃতি। D: ভাঙন বিন্দু — বস্তু ভেঙে যায়।