ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন ও উত্তর
You need to be signed in to access this content.
সুবিধা: ১) সমীকরণের সঠিকতা যাচাই করা যায়। ২) দুটি একক পদ্ধতির মধ্যে রূপান্তর করা যায়। ৩) ভৌত রাশির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা যায়।
সীমাবদ্ধতা: ১) মাত্রাহীন ধ্রুবক (যেমন π, ½) নির্ণয় করা যায় না। ২) ত্রিকোণমিতিক, সূচকীয় ফাংশনযুক্ত সম্পর্ক স্থাপন করা যায় না। ৩) দুই বা ততোধিক রাশির যোগ/বিয়োগ থাকলে কাজ করে না।
পদ্ধতিগত ত্রুটি: সর্বদা একই দিকে (বেশি বা কম) হয়; যন্ত্র ক্রটিপূর্ণ, পরিবেশ পরিবর্তন বা ভুল পদ্ধতির কারণে ঘটে; সনাক্তকরণ ও সংশোধন সম্ভব।
আকস্মিক ত্রুটি: এলোমেলোভাবে বেশি বা কম হয়; পরীক্ষকের সীমাবদ্ধতা, অনিয়ন্ত্রিত পরিবেশ ইত্যাদির কারণে ঘটে; বহুবার পরিমাপের গড় নিয়ে কমানো যায়।
প্রকৃতির সবচেয়ে মৌলিক নিয়মগুলো (যেমন: বল, শক্তি, গতি) পদার্থবিজ্ঞানে আলোচিত হয়। রসায়ন, জীববিজ্ঞান, ভূতত্ত্ব ইত্যাদি সকল শাখাই পদার্থবিজ্ঞানের নীতি ব্যবহার করে। পরমাণুর গঠন, আলোর প্রকৃতি, শক্তির রূপান্তর — এসব মৌলিক ধারণা ছাড়া অন্য কোনো বিজ্ঞান সম্ভব নয়।
১) এটি দশমিক-ভিত্তিক (10 এর গুণিতক), তাই রূপান্তর সহজ। ২) সকল মৌলিক রাশির জন্য সুনির্দিষ্ট একক আছে। ৩) আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত, ফলে বৈজ্ঞানিক যোগাযোগ সহজ হয়। ৪) CGS বা FPS পদ্ধতির তুলনায় সুসংগত ও ব্যবহারিকভাবে সুবিধাজনক।
ন্যূনাঙ্ক = প্রধান স্কেলের ক্ষুদ্রতম ভাগ − ভার্নিয়ার স্কেলের ক্ষুদ্রতম ভাগ। সাধারণত প্রধান স্কেলের 9 ভাগ = ভার্নিয়ারের 10 ভাগ। তাই ন্যূনাঙ্ক = 1 mm − 0.9 mm = 0.1 mm = 0.01 cm। এটি যন্ত্রটির সর্বনিম্ন পরিমাপযোগ্য দৈর্ঘ্য।